অপেক্ষা

অপেক্ষা
যদিও সে আছে দাঁড়িয়ে,
জানোনা কি তুমি এটা
যে পথে তুমি গেছ নিবিড়ে
সেখানেই তার অপেক্ষা।
সন্ধ্যাকালে কত পথ চলে
,
কত বিরল স্থান
,পদচিহ্ন যোগে,
তুমি এসেছো ফেলে।কেউ তো আর
বলেনি যেতে তোমাকে।
তবু এই শৃঙ্খলমোচনে
,
বড় ব্যস্ত করেছো নিজেকে।
এ বর্ণনা তো তোমার নয় অজানা
,
তবুও কত ব্যকুল চোখে শোনো।
নদীর স্রোতে তাল মিলিয়ে
আজ
পারাবার বিমুখ কেন
?
ধ্রুব কত ব্যকুলতা তার চোখে
,দেখতে পাওনা আর,
তাই হয়তো অগ্রপথে উৎসাহ নেই তোমার
!
তোমার দৃশ্যমানতা এখন শূন্য বটে
,তবু
তারই ছায়া তোমার প্রেক্ষাপটে।
অহেতুক কত ছাড় পেয়েছে সময়ের ব্যবধান
,
অহেতুক কত চেষ্টা
আপাদমস্তক তুমি ছেড়ে দেখলে তো কত,
একথা বুঝতে সময় লাগছে এতো
!
সে তো দেখেছে তোমাকে পাখীর আদেশে
উড়ে যেতে।
পিপাষু তো তুমি এখনও
,
জলের সন্ধান কর কত
!
অর্থহীন তার চোখের জল
,দেখলে হয়তো
পিপাসা থাকতো না এত।
রক্ষণশীল চোখের কত দুর্বল ক্ষোভ
তাঁর ব্রতময়ী সত্ত্বাকে আঘাত হেনেছে
বারবার।
এক্ষণে অর্থহীন তোমার জীবনে মিথ্যার ঘনঘটা
,
আর তাতেই পেয়েছিলে সত্যের স্বাদ
! বোঝোনি,
অর্থহীন নয় এই জীবন
,শুধু অর্থ পালটেছে নীতিবাদ।
তবে এ কিহেন রক্ষণ
, যা নিজের প্রতি অক্ষম! আবার তো
তুমি অবুঝ
। তবু, সে আছে দাঁড়িয়ে এখনও।
তুমি তো বরাবর জানো এটা
আজ যবে তুমি ফিরছ নিবিরে ,
তবে সেখানেই তার অপেক্ষা।

সৈকত মুখার্জ্জী

Advertisements